Breaking News :

ভারতে এবার সোয়ান ভাইরাসের আক্রমন

করোনার আঘাতে বিধ্বস্ত পুরো ভারত; এর উপর সোয়াইন ভাইরাসের আক্রমন। ভারতকে এবার দুটি ভাইরাসকেই এক সাথে মোকাবেলা করতে হবে। চিন্তিত সরকার।

সোয়ান ফিভার কিছুদিন ধরে ভারতের রাজ্য আসামে থাবা বসিয়েছে। সেখানে ইতিমধ্যে প্রায় ২৮০০ শুকর মারা গেছে। আসাম রাজ্যের রাজ্য সরকার দাবি করেছে, এই ভাইরাসটিও করোনার মতো চীন থেকে এসেছে। কিন্তু তারা দাবি করলেও তাদের কাছে যথেষ্ঠ প্রমান নেই।

তবে, স্থানীয় পরিসংখ্যান বলছে ২০১৮ থেকে ২০২০ এর মধ্যে মোট ৬০ শতাংশ শূকর মারা গিয়েছে এই ভাইরাসের কারণে।

সোয়ান ফিভারটির ইতিহাস ঘেটে জানা যায় এটি প্রথম দেখা যায় আফ্রিকা মহাদেশে। আফ্রিকার সোয়াইন ফিভারের প্রথম ঘটনাটি ১৯২১ সালে কেনিয়া এবং ইথিওপিয়ায়। যদিও ওই দেশগুলিতে এখন এই ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটা কম। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া এই ফিভার ইউরোপ মহাদেশ হয়ে এশিয়াতে ঢুকে পড়েছে এবং যেকোন ভাবে এটি ভারতের ভিতরে প্রবেশ করেছে।

অন্যদিকে আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল বিভাগগুলিকে ন্যাশনাল পিজ রিসার্চ সেন্টারের সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করতে বলেছেন এবং যেকোন ভাবেই হোক শূকরগুলোকে তারা যেন রক্ষা করে।

ইতিমধ্যেই আসাম ও অরুণাচল প্রদেশের তরফ থেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতে শূকরের মাংস আমদানি-রফতানি তথা শূকর মারার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এছাড়া রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলাকে এই বিষয়ে চিঠি দিয়েছে।

এই রাজ্যগুলো অসম থেকে শূকর আমদানী করতে পারবে না। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলাকে বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনকে।

এছাড়াও জেলার কোথাও কোনও শূকরের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে তার নমুনা তৎক্ষনাৎ কলকতার ল্যাবে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলা ক্যালেন্ডার

Alert! This website content is protected!