Breaking News :

আট মাসের শিশু করোনায় আক্রান্ত

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুরে আটমাসের শিশু করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ঐ পরিবাররে আরো চারজন আক্রান্ত হয়েছে। তাদেরকে আইসোলশনে পাঠানো হয়েছে। নাগরপুরে আক্রান্ত হওয়া তারা সহবতপুর ইউনিয়নের বাটরা গ্রামের বাসিন্দা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান খান জানান, ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের ল্যাবে কর্মরত ওই পরিবারের এক সদস্য ৭ মে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। তাঁর সংস্পর্শে এসে তাঁর মা, বাবা, স্ত্রী ও আট মাসের শিশুসন্তান আক্রান্ত হয়েছেন। রাতেই ওই বাড়িসহ আশপাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া জেলার ঘাটাইল এলাকায় আরেকজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাকেও আইসোলশনে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, টাঙ্গাইলের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে ভর্তি হওয়া ২১ বছর বয়সী এক নারী ৯ মে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়ের জন্ম দেন। তারপর ওই নারীকে হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তাঁরা আক্রান্ত কি না, তা জানতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা আসার হাসপাতাল জানতে পারেন তিনি পজিটিভ (করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত)।

কিন্তু বিপত্তি ঘটে হাসপাতাল থেকে তাঁর নমুনা সংগ্রহের সময় শুধু নাম ও স্বামীর মুঠোফোন নম্বর রাখা হয়। তাঁর বিস্তারিত ঠিকানা রাখা ছিল না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরে যায় বেকায়দায়। সাথে সাথে তাঁর সন্ধানে প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ মঙ্গলবার সারা দিন বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর শুরু করে। পরে রাত সাড়ে ১১টায় খবর পেয়ে তাঁকে তাঁর মায়ের ভাড়া বাড়ি সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নে পাওয়া যায়। সেখানে একটি ছোট ঘরে মা-বাবা, এক বোনসহ মোট পাঁচজন অবস্থান করছিলেন। পরে পাশের একটি ঘরে তাঁকে রেখে পুরো বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ওই মা আক্রান্ত হওয়ার খবরে বুধবার গাইনি অপারেশন থিয়েটার লকডাউন করা হয়েছে। ওই নারীর অস্ত্রোপচারে অংশ নেওয়া এবং তাঁর সংস্পর্শে আসা ছয়জন চিকিৎসক, আটজন নার্স ও তিনজন আয়াকে হোম আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলার সিভিল সার্জন মো. ওয়াহীদুজ্জামান জানান, এ নিয়ে ৬০ জন আক্রান্ত হলো টাঙ্গাইল জেলায়।

বাংলা ক্যালেন্ডার