Breaking News :

করোনা আতঙ্কের মাঝেই সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

করোনার মতো ভয়ঙ্কর ভাইরাসের কবলে বাংলাদেশ সহ পুরো বিশ্ব। লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিদিন। মারা যাচ্ছে প্রচুর মানুষ। এরপরও মানুষ নামের কিছু পশুর পশুত্ব কমছে না। ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায়।

গত সোমবার রাতে এক গৃহবধূকে (৪০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা পলাতক আছে। অন্যদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক অভিযুক্তের বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

উক্ত ঘটনায় অভিযুক্তরা হলোঃ
– উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী গ্রামের মৃত আব্দুস সত্তার মুন্সি ছেলে রিসন মুন্সি (৪০) ও
– একই এলাকার ফারুক মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লা (২০)।

পুলিশ ঘটনা জানার পরপরই তৎপরতা শুরু করেন এবং ঐ ঘটনার রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রায়হানের বাবাকে থানায় নেয়। তবে অভিযুক্তরা পলাতক আছে।

ভুক্তভোগীর স্বামীর সাথে আলাপ হলে তিনি জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে তার সন্তানকে পড়াতে আসেন গৃহশিক্ষক। অনেকদিন যাবৎই গৃহশিক্ষক তার সন্তানকে পড়াচ্ছেন। কিন্তু কখনও এমন ঘটনা ঘটবে তা তিনি চিন্তাও করতে পারছেন না।

ঐদিন গৃহ শিক্ষক আসার কিছুক্ষন পরই রিসন, রায়হানসহ কয়েকজন যুবক তাদের বাড়িটিতে আসে। এসেই তারা তার স্ত্রী ও গৃহশিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং গৃহশিক্ষককে গালমন্দ ও মারতে শুরু করে। একপর্যায়ে তার স্ত্রী এবং গৃহশিক্ষককে একসাথে করে আপত্তিকর ছবি তুলতে বাধ্য করে।

ছবিগুলো তুলে রিসন ও রায়হান তাদেরকে হুমকি দেয় এই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে ভাইরাল করে দেওয়া হবে। পরে তারা গৃহশিক্ষককে বেঁধে আমার স্ত্রীকে ধর্ষণ করে।

ধর্ষণ শেষে অভিযুক্তরা চলে গেলে রাত আনুমানিক ১টার দিকে আমার স্ত্রী ফোনে বিষয়টি জানায়। পরে আমি ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে রাজাপুর থানার পুলিশ রাত ৩টার দিকে আমার স্ত্রী ও গৃহশিক্ষককে উদ্ধার করে।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি এবং মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে তাদের বিরুদ্ধে।

বাংলা ক্যালেন্ডার