Breaking News :

করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার

করোনায় মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। শনিবার দিনগত রাতেই বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে, যার এক-চতুর্থাংশই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। সেখানে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার। এ অবস্থার মধ্যেই বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ওপর থেকে লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পযন্ত মারা গেছেন ৫৪ হাজার ২৬৫ জন। এদের মধ্যে শনিবার গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ, ২ হাজার ৬৫ জন।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৬ জন। এদের মধ্যে শনিবার একদিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪১৯ জন। রোববার সকাল পর্ন্ত আক্রান্ত হয়েছে আরও ২৫৪ জন।

সেখানে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬২ জন। তবে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও প্রায় ৮ লাখ মানুষ। অর্থাৎ ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৯ জন। এদের মধ্যে ১৫ হাজারের বেশি মানুষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ অবস্থার মধ্যেই শনিবার তিনটি অঙ্গরাজ্যর লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে। সেখানে খুলেছে বিউটি পার্লার, স্পা, এমনকি ট্যাটু পার্লারও। সোমবার থেকে থিয়েটার ও রেস্তরাঁ খুলছে আলাস্কায়। এতে আর্থিক অচলাবস্থার হয়তো কিছুটা সুরাহা হবে, কিন্তু সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কি হবে, এ নিয়ে আতঙ্কে আছেন বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু এ নিয়ে নির্বিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে প্রেস ব্রিফিং করলেন ২০ মিনিটেরও কম সময়। সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নই নিলেন না। শুধু এক ফাঁকে জানিয়ে দিলেন— আমেরিকায় এই মৃত্যুমিছিলের দায় তিনি নেবেন না। কারণ, করোনা মোকাবিলায় তার প্রশাসন ‘অসাধ্যসাধন’ করেছে।

এ দিকে, করোনাভাইরাস ছড়ানোর জন্য ট্রাম্পের সুরেই চীনকে দায়ী করে চলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই ভাইরাস যে চীনের উহান থেকেই ছড়িয়েছে, সেটা যাতে সব দেশ জানতে পারে, আমরা তা নিশ্চিত করবই।’

তিনি আরও দাবি করেন, ডিসেম্বরেই এই ভাইরাসের কথা জেনেও বাকিদের সতর্ক করেনি চীন। করোনা-মোকাবিলায় ‘ব্যর্থ’তকমা দিয়ে এদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও একহাত নেন পম্পেও।

ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়েনও এ দিন করোনা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য উহান ল্যাবের দিকেই ইঙ্গিত করেন।

এদিকে চীনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে ‘স্টপ কমিউনিস্ট চায়না’ নামে অনলাইন পিটিশনের পদক্ষেপ নেয়ার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রিপাবলিকান নেত্রী নিকি হ্যালি।

চীনের বিরুদ্ধে মামলা করে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে মিসৌরি, মিসিসিপি, ফ্লোরিডার মতো বেশ করেকটি অঙ্গরাজ্যের সরকার।

বাংলা ক্যালেন্ডার