Breaking News :

শনিআখরায় করোনা রোগী সনাক্ত ৫টি বাড়ি লকডাউন

ঢাকাঃ  রাজধানীর কদমতলী থানার শনিরআখড়া এলাকার রেনেসা গলিতে করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হওয়ায় আনুমানিক ৫টি বাড়িসহ পুরো এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আইইডিসিআরের সাথে কথা বলার পর শুক্রবার দুপুরে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

শনিরআখড়া এলাকার রেনেসা গলিতে  প্রায় ৬০টি পরিবার বসবাস করেন। কদমতলী থানা পুলিশের এসআই শহিদু্লাহ মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রেনেসা গলির ব্যাংক কলোণীর একটি ভবনে এক ব্যাক্তির করোনা ভাইরাসের পজেটিভ সংক্রমন পাওয়া গেছে বলে আইইডিসিআরের সাথে কথা বলে জানা গেছে। যার ফলে জনস্বার্থে এ লক ডাউনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে কাউকে আতংকিত না হতে তিনি আহবান জানান।

৫টি বাড়ি লকডাউনের ব্যাপারে জানতে চাইলে কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন মীর বলেন, শনিরআখড়া রেনেসা গলির ব্যাংক কলোণীর একজন ব্যক্তির নিকট থেকে যেহেতু করোনাভাইরাস সংক্রমন পজেটিভ পাওয়া গেছে। আইইডিসিআরের পরামর্শে পরিবারটি যে ভবনে থাকে সে ভবনসহ ৫টি ভবন ‘লকডাউন’ করে রাখা হয়েছে। আমরা বাসায় বাসায় গিয়ে ওই এলাকার মানুষকে সচেতন করে দিয়ে এসেছি। তারা যেন বাসা থেকে বের না হন সেই পরামর্শ ও দেয়া হয়েছে। তবে ওই এলাকাটি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকার বাসিন্দাদের সতর্কতার সঙ্গে চলতে সতর্ক করা হয়েছে।

অন্যদিকে শনিআখরা সংলগ্ন ছনটেক এলাকায় একজনকে করোনা সন্দেহে হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে উক্ত বাড়ির একজন মহিলা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। বাড়ি থেকে আসার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পরেন। খবর পেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য এবং আইইডিসিআরের লোকজন উক্ত বাড়িতে আসেন এবং প্রাথমিকভাবে তারা ধারনা করেন রোগীর করোনা হয়ে থাকতে পারে। সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং উক্ত বাড়িটি লকডাউন করে দেওয়া হয়।

উক্ত এলাকায় সচেতনা বৃদ্ধি করতে এবং সেচ্ছাসেবক হিসেবে ছনটেক সেচ্ছাসেবী যুব সমাজ নামে একটি সংগঠন সেচ্ছা শ্রম দিয়ে আসছে কিছু দিন যাবৎ। ১৬০টির বেশি পরিবারকে ইতিমধ্যে খাবার দিয়ে সহযোগীতা করেছেন তারা। তাদের একজন রাহাত এর সাথে আলাপ হলে তিনি জানান, সরকারের সহযোগীতা পেলে তারা প্রান্তিক লেভেলে আরো মানুষের কাছে গিয়ে খাবার পৌছে দিতে পারবে এবং এলাকায় করোনা সম্পর্কে আরো সচেতনা বৃদ্ধি করতে পারবে। তিনি বলেন, তারা কয়েকজন যুবক মিলে এই সেচ্চাসেবী সংগঠনটি গঠন করেছেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আর সেটি যেধরনেরই দুর্যোগ হোক না কেন।

ছনটেক এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে আমাদের প্রতিনিধি জানান, উক্ত এলাকায় এখনও মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা বৃদ্বি পায়নি। সারাদিনই মানুষ ছনটেক প্রধান সড়ক, স্কুল রোড দিয়ে যাতায়াত করে থাকে এবং রাস্তায় ভ্যান গাড়িতে বিভিন্ন বাজার বসে যার দরুন মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব থাকে না।

অন্যদিকে শনিআখরা, দনিয়া, রসুলপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গিয়েছে মানুষের মধ্যে মোটামুটি সচেতনতা বৃদ্বি পেয়েছে।

বাংলা ক্যালেন্ডার