Breaking News :

করোনার প্রকোপ কমছে না এখনই! ২বছর ভোগতে হবে ইউরোপকে

চীনের বিশেষজ্ঞ ঝাং ওয়েনহং, তিনি করোনার উপর অনেক দিন যাবৎ গবেষনা চালাচ্ছেন, তিনি দাবী করেন করোনা ভাইরাসের প্রকোপ সাময়িকভাবে কিছুদিনের মধ্যে কমতে পারে। কিন্তু এর অর্থি এই নয় করোনার প্রকোপ আবার ফিরে আসবে না। করোনার প্রকোপ আবার ফিরে আসবে এবং এভাবে করোনামুক্ত হতে ইউরোপের আরও দু’বছর সময় লেগে যেতে পারে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট—এ একটি প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, শুধু দেশ নয় এই মুহুত্বে পুরো মহাদেশগুলোকে লকডাউন ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। প্রতিবেদনে বলা হয়- ভাইরাসের প্রকোপ থেকে দ্রুত রক্ষা পেতে হলে চীনের মতো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। চীনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে অফিস, সবই বন্ধ রাখা হয়েছিল। ফলে ভাইরাসের ছড়ানো রোধ করা গিয়েছে এবং পাশাপাশি জনগন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে।

চীনের আরেকটি সংবাদ মাধ্যমে একটি প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে- এত সহজে করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাবে না ইউরোপ। এবং মৃত্যুমিছিল কবে থামবে তাও ঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। এশিয়া থেকেই মারণ ভাইরাস ছড়িয়েছে ইউরোপে অনেকদিন যাবৎ অভিযোগ করে আসছে আমেরিকা সহ অন্যান্য দেশের প্রধানরা। ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা চীনকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ মারা যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে। ইতালি, ফ্রান্স, স্পেনের মতো ইউরোপের একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা। জার্মানিতেও ছড়িয়ে পরেছে এই ভাইরাস। চীনের বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, আরো অন্তত দু’বছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে করোনার জন্য ভুগতে হবে।

চীনের কোভিড-১৯ ক্লিনিকাল বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান ঝাং সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এ আরো বলেছেন, সারা বিশ্বকে চার সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব হয় এই করোনা মহামারি রোধ করা যেতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বের সব দেশকে একযোগে লকডাউন ঘোষণা করতে হবে। শুধুমাত্র সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো বন্ধ করলে চলবে না। বিশ্বের বহু দেশের সরকার করোনা রোধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এটা ভালো লক্ষন বলে মন করেন এই চীনা বিশেষজ্ঞ। তবে, এই সংখ্যা সীমিত হওয়ায় তিনি কিছুটা ক্ষোভও প্রকাশ করেন।

বাংলা ক্যালেন্ডার

Alert! This website content is protected!