Breaking News :

জামায়াতে ফজর নামাজ আদায় করার ফযিলত – ১

কালেমা পড়ার পর একজন মুসলিমের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো সহিহভাবে নামাজ পড়া। নামাজের মাধ্যমে আপন প্রভুর খুব নিকটে যাওয়া যায়। প্রত্যেক নর-নারীর জন্য নামাজ হলো ফরজ ইবাদত। তাই প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ যা কোনভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না।

ঈমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের প্রত্যকেরই নামাজ আদায় করা উচিৎ। তাতে আসুক যত বাধা-বিপত্তি। হাদিসের আলোকে জানা যায়, ফজরের নামাজ জামাআতের সঙ্গে আদায় করার ফজিলত অনেক বেশি। আল্লাহ তাআলা জামাআতের সঙ্গে ফজর আদায়কারীকে নিজ জিম্মায় নিয়ে যান। দুনিয়ার সব বিপদাপদ থেকে মুক্ত থাকবে সে। ঠিক প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাজ পড়ার মধ্যে মহান আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন উপকারীতা রেখে দিয়েছেন। তা নিয়ে হয়তো আরেকদিন আলোচনা করা যাবে।

হযরত জুনদুব ইবনে সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জামাআতে ফজরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর হেফাজতে চলে গেল। শুধু তাই নয়, যে ব্যক্তি ফজর নামাজ জামাআতের সঙ্গে আদায় করবে তার জন্য রয়েছে বড় সুসংবাদ। সে পাবে সারা রাত ইবাদতের সাওয়াব। তবে শর্ত হলো ওই ব্যক্তিকে ইশার নামাজও জামাআতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এছাড়া প্রত্যেক ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি (সুরা বাকারা, সুরা নং ২,  আয়াত নং ২৫৫) পড়তে পারলে অনেক উপকারীতা আছে। একটি হাদিসে আসছে যে এই আয়াত/দোয়াটি পড়বে সে হাসতে হাসতে জান্নাতে চলে যাবে। আরেকটি হাদিসে আসছে তার মৃত্যু যন্ত্রনা হবে না বা হলেও কম হবে।

সুতরাং সবার উচিত যথাসময়ে ফজর নামাজ জামাআতের সঙ্গে আদায় করা। কোনোভাবেই যেন অলসতা ও অবহেলায় ফজর নামাজ কাজা না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। কেননা ফজরের নামাজ আদায়কারীকে আল্লাহ তাআলা তার নিজ জিম্মায় নিয়ে যান এবং তার চেহারা মোবারক নুরে পরিপূর্ন হয়ে যায়। মহান আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ফজরের নামাজ জামাআতের সঙ্গে আদায় করার তাওফিক দান করুন আমিন।

বাংলা ক্যালেন্ডার

Alert! This website content is protected!