Breaking News :

কাশ্মিরে যা হচ্ছে তা সংবিধান পরীপন্থী

‘‘ইয়ে ঠিক নেহি হুয়া। ইয়ে ধোঁকা হুয়া হামারে সাথ।’’

গত বৃহস্পতিবার ভারত তথা ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মির এবং লাদাখ এর জন্য একটি কলঙ্কিত দিন। এই দিনটিতেই ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মির এবং লাদাখ পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। বিশেষজ্ঞতের মতে, এটি ভারতের জন্য একটি কলঙ্কিত কালো অধ্যায়।

এদিকে,

– জম্মু-কাশ্মিরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে শপথ করেন গিরিশচন্দ্র মুর্মু এবং

– লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর পদে শপথ নিয়েছেন রাধাকৃষ্ণ মাথুর।

এ উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, এ বার কাশ্মিরে উন্নয়নের জোয়ার বইবে।

গত ৫ আগস্ট ২০১৯ ইং ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের পর থেকে প্রশাসনের নির্দেশে শ্রীনগরের সমস্ত দোকানপাট বন্ধ ছিল। কিছুদিন পর প্রশাসন দোকানপাট খুলতে বলে। কিন্তু কাশ্মিরি ব্যবসায়ীরা দোকান খোলতে গড়িমসি করেন। সকালে নিত্যপ্রয়োজনের জিনিসপত্রের দোকান খুলছে ঘণ্টা দুয়েকের জন্য। তার পর সব বন্ধ। সন্ধ্যা নামলে শ্রীনগর যেন অন্ধকার মরুভূমি।

কিন্তু উপত্যকা জুড়ে হিমেল হাওয়ার সঙ্গে একটাই প্রশ্ন যেন পাক খাচ্ছে—৩৭০ রদ হলো, রাজ্যের তকমা কেড়ে নেয়া হলো। কেউ আমাদের মতামতও জানতে চাইল না। এটা কি ঠিক? এটা ধোঁকা নয়? মনে এই প্রশ্ন নিয়ে আঁধারে মুখ ঢেকেছে ঝিলম পাড়ের ‘জান্নাত’।

“আমরা কি হাতের পুতুল? যখন দোকানবাজার বন্ধ রাখতে বলবে, বন্ধ রাখব, খুলতে বললে খুলব?”—লাল চকে মোবাইলের দোকানের মালিকের প্রশ্ন শুনে থমকে যেতে হয়। এ তো প্রায় ‘সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স’? পাল্টা জবাব আসে, “স্বাধীনতার আগে গান্ধীজি এই আন্দোলন করেছিলেন। এটাও ধরে নিন তেমনই।’’

তবে, এতো কিছুর পরও বিশ্ব মোড়লরা নীরব ভূমিকায় আছেন। এক হিসাবে ঘুমন্তই আছেন। জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল এখানে আসার জন্য চেষ্ঠা করে ছিল কিন্তু ভারত সরকারের চাপে শেষ পর্যন্ত সেখানে ঢুকতে পারেন নি তারা।

আল জাজিরা সহ কিছু ডান পন্থি মিডিয়া বলছেন, সেখানে নারীদেরকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হচ্ছে। ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তরুন ও যুবক যারা আছে তাদেরকে পালিয়ে বেড়াতে  হচ্ছে কেননা তাদেরকে ঘর থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানবিক ভাবে অত্যাচার করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

কিছু দিন পূর্বে ২৭টির মতো গণ কবরের সন্ধান পেয়েছে একটি মানবাধিকার সংস্থা।

বাংলা ক্যালেন্ডার