Breaking News :

স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্মমভাবে হত্যার শিকার

বিয়ের ১ বছর পার না হতেই হত্যার শিকাড় হল এক নব বধু। হত্যাকারী আর কেউ নয়, হত্যাকারী তার স্বামী নিজেই। সাজিয়ে গুঁছিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে যায় বোটানিকেল গার্ডেনে। এখানেই নির্মমভাবে গলায় উড়না পেঁচিয়ে স্ত্রী বন্যাকে হত্যা করে স্বামী রুবেল। ঘটনাটি ঘটে গত বার। এদিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছেন। এরই মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘাতক রুবেল এবং তার এক সহযোগীকে। হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করেছে ঘাতক রুবেল।
 
পুলিশের ভাষ্য মতে, হত্যাকান্ডটি পূর্ব পরিকল্পিত। প্রথমে স্বীকার না করলেও পরে রুবেল স্বীকার করে। রুপনগরের দুয়ারী পাড়ার কবরস্থানে বন্যাকে কবর দেয়া হয়েছে।
 
উল্লেখ্য, পাশাপাশি ঘর হওয়ার কারনে ১৮ বছরের রুবেল এর সাথে ১৬ বছরের বন্যার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে অভিভাবকদের সম্মতিতে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। কিছুদিন অতিবাহীত হওয়ার পর উভয় পরিবারের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। প্রায়ই রুবেলের পিতা রুবেলকে বলতো বন্যার পুরো পরিবারকে হত্যা করার জন্য। গত মঙ্গলবার রুবেল তার স্ত্রীকে নিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে যায়। সেখানে তার এক সহযোগীর সহায়তায় বন্যার ওড়না গলায় পেঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে পাশের এক ডুবায় লাশ ফেলে দেয়। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধারে পুলিশ আসেন। স্থানীয়দের কাছে এবং পুলিশের কাছে রুবেল হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে স্থানীয় কৃষকলীগ নেত্রী মুন্নির সহযোগীতায় বন্যার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
 
মুন্নি বলেন, আমি খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই এবং পুলিকে বলি যদি আপনাদের মহিলা পুলিশ না থাকলে আপনাদেরকে যতটুকু সহযোগীতা করা দরকরা আমি নিজে করবো। তিনি আরো বলেন, হত্যাকারী নিজে বন্যার লাশটিকে ডোবার কোথায় পুতে রেখেছেন তা দেখান। পরে আমি নিজে এবং প্রশাসনের অন্যান্য যারা ছিলেন তারা নেমে লাশ উদ্ধার করি।
 
এদিকে পরিবাররে অভিযোগ, বন্যাকে হত্যা করার পর রুবেলের পরিবার উৎসব করে তাদের ঘরে মাংস, পোলাও রান্না করা হয়।
 
এলাকাবাসীরা জানান, কিশোর গ্যাঙ্গ এর সাথে জড়িত হয়ে পরে রুবেল এবং ঐ গ্রুপের লিডার হয়ে উঠে কিছু দিনের মধ্যে। এলাকাবাসী রুবেলের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেন।
শাহ আলী থানায় বন্যার মা হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে দেখছেন বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি।

বাংলা ক্যালেন্ডার