Breaking News :

ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় নৌবাহিনীর অভিযান

পটুয়াখালী ও বরিশালের বিভিন্ন নদ-নদী হতে ৩ লাখ ৫১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৬০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছে নৌবাহিনী। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০১৯ এর অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয় নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে।

অভিযান পরিচালনা করা হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ তিস্তা দিয়ে। এ অভিযানটি গত ১৩ ও ১৪ অক্টোবর ২০১৯ বরিশাল জেলার লাহারহাট, পাতারহাট, শ্রীপুর, ভেদুরিয়া, উলানীয়া, বাবুগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, ভাষানচর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় করা হয় এবং জেলেদের কাছ থেকে ৩ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ৬০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছে।

এছাড়া, পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালি, ধানখালী, পানপট্টি, পাটুয়া, গলাচিপা এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ০১ হাজার মিটার জগৎঘেরা জাল জব্দ করে। এ অভিযানটি পরিচালনা করা হয় নৌবাহিনীর জাহাজ এলসিভিপি-০১১ এর মাধ্যমে। স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে জব্দকৃত অবৈধ জাল আগুনে পুড়িয়ে ধংস্ব করা হয় এবং আটককৃত জেলেদের বিভিন্ন মেয়াদা সাজা দেওয়া হয় এবং জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানায় দান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নৌবাহিনী সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করছে। ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকার গত ০৯ অক্টোবর থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সারাদেশে সব ধরণের ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজসমূহের এ বিশেষ অভিযান আগামী ৩০ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত চলবে। এ অভিযান পরিচালনার ফলে দেশের নদ-নদীতে জাতীয় সম্পদ ইলিশের সংরক্ষণ ও প্রাচুর্য্য অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

স্থানীয় জনগন এবং জেলেদেরকে এ ব্যাপারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। এদিকে জেলেরা এই কয়েকদিন বেকার বসে থাকবে। তাদেরকে এই ২১দিনের জন্য সরকার থেকে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার জন্য জোড় দাবি জানানো হয়। কারন হিসেবে তারা বলেন, তাদের একমাত্র পেশা হলো মাছ ধরা আর এর মাধ্যমেই তারা তাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। যখন মাছ ধরা বন্ধ থাকে তখন তারা সম্পূর্নাভাবে বেকার হয়ে পরেন এবং তখন তাদের আর্থিক সমস্যা দেখা দেয়। অপর দিকে যারা মহাজন আছেন তাদের কোন সমস্যা হয় না।

বাংলা ক্যালেন্ডার