Breaking News :

শিশু তুহিন হত্যায় তার বাবাসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ

তৎপরতা এবং বিচক্ষনতার দরুন খুব কম সময়েই তুহিনের হত্যাকারীদেরকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশ।

পুলিশ স্থানীয়দের থেকে যে তথ্য নিয়ে এগিয়েছিলেন তা হুবহু তুলে ধরা হলঃ

স্থানীয়রা জানান, তুহিনের বাবা আবদুল বাসির ও তার ভাইদের সঙ্গে সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। আবদুল বাসিরের ভাগনি নিলুফা হত্যায় জেলও খাটেন আনোয়ার হোসেন।

পুলিশ জানান, যে ছুরি দুটি পাওয়া গিয়েছে তুহিনের শরীরে গাঁথা অবস্থায়  ঐ ছুরি দুটিতে সালমান ও সালাতুল লেখা ছিলো। আনোয়ার হোসেনের দুজন নিকট আত্মীয়ের নাম সালামন ও সালাতুল।

উল্লেখ্য,  সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রামে। কদম গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় কোমলমতী ছয় বছরের ছোট্ট একটি শিশুর গলাকাটা নিথর দেহ। নিষ্পাপ এই শিশুটির নাম তুহিন। নিষ্পাপ শিশুটির দেহ থেকে কেটে নেয়া হয়েছে দুটি কান, শরীর থেকে গোপনাঙ্গও বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে ঘাতকরা! এখানেই নিষ্ঠুরতার শেষ নয়, হত্যার পর শিশুটির পেটে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে দুটি ধারালো ছুরি। যেন নির্মম নিষ্ঠুর নির্যাতন করে হত্যার প্রতিযোগিতায় নেমেছিলো ঘাতকরা । তুহিনের দেহ যেন একটি বন্য প্রানী অথবা একটি পুতুল। শুধু এতেই ক্ষান্ত হয়নি হায়েনারা। তার গলার বেশ কিছু স্থানও কেটে ফেলেছে এই ঘাতকেরা।

শিশু তুহিন হত্যায় তার বাবাসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- তুহিনের বাবা আবদুল বাসির, খায়রুন নেছা, নাসির উদ্দিন, চাচা আবদুল মসব্বির,  চাচাতো বোন তানিয়া,  প্রতিবেশী আজিজুল ইসলাম।

দিরাই থানার এসআই আবু তাহের মোল্লা জানান, শিশু তুহিনের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদে তার বাবা, চাচা ও চাচাতো বোনসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তবে, তদন্তের স্বার্থে এখন আর কিছু বলা যাবে না।

বাংলা ক্যালেন্ডার