Breaking News :

জাতি নির্মমতা আরোও একবার দেখলো তুহিনের নিথর দেহের মাঝে

নির্মমতার বুঝি যে বর্ননা ছিল তা এই পাশবিকতার কাছে হার মেনেছে। মানুষ দিন দিন বনের পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মানবতা আজ আহলে জাহিলিয়াতের যুগকেও হার মানিয়েছে। পুরো জাতির অবস্থায় দিন দিন এমন রুপ ধারন করছে।

ঘটনাটি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রামে। কদম গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় কোমলমতী ছয় বছরের ছোট্ট একটি শিশুর গলাকাটা নিথর দেহ। নিষ্পাপ এই শিশুটির নাম তুহিন। নিষ্পাপ শিশুটির দেহ থেকে কেটে নেয়া হয়েছে দুটি কান, শরীর থেকে গোপনাঙ্গও বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে ঘাতকরা! এখানেই নিষ্ঠুরতার শেষ নয়, হত্যার পর শিশুটির পেটে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে দুটি ধারালো ছুরি। যেন নির্মম নিষ্ঠুর নির্যাতন করে হত্যার প্রতিযোগিতায় নেমেছিলো ঘাতকরা । তুহিনের দেহ যেন একটি বন্য প্রানী অথবা একটি পুতুল। শুধু এতেই ক্ষান্ত হয়নি হায়েনারা। তার গলার বেশ কিছু স্থানও কেটে ফেলছে এই ঘাতকেরা।

নির্মম এই হত্যাকাণ্ডটি সোমবার (১৪ই অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গচিয়া কেজাউড়া গ্রামে ঘটেছে। নিহত তুহিন একই এলাকার বছির মিয়ার ছেলে। তুহিনের স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, আনুমানিক রাত ৩টার দিকে তুহিনের মা-বাবা হঠাৎ দরজা খোলার শব্দ শুনে, ঘুম থেকে জেগে দেখেন তুহিন ঘরে নেই। পরিবারের লোকজন এলাকায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে সুফিয়ান মোল্লার উঠানে মসজিদের পাশে কদম গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তুহিনের গলাকাটা নিথর মরদেহ দেখতে পান। জনমনে এক চাপা ক্ষোপ এবং আতংক বিরাজ করছে।

দিরাই থানার এসআই তাহের জানান, নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। হত্যাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির দেহ থেকে দুটি কান এবং শরীর থেকে গোপনাঙ্গও বিচ্ছিন্ন করে পাশবিক কায়দায় হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। শিশুটির পেটে বিদ্ধ ছিল দুটি ধারালো ছুরি। তবে কে বা কারা, কী কারণে এ শিশুটিকে হত্যা করেছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

বাংলা ক্যালেন্ডার