Breaking News :

তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ‘ধর্ষণচেষ্টা’র অভিযোগ

আজ শনিবার ১২ই অক্টোবর ২০১৯ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হবিগঞ্জের মাধবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এনা পরিবহনের একটি বাসে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে এই ‘ধর্ষণচেষ্টা’র অভিযোগ উঠেছে। বাসটির সুপারভাইজার মানিক মোল্লাকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মানিক নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের নাজির মিয়ার ছেলে।

পরে মাধবপুর এলাকায় এসে থানা পুলিশকে খবর দিলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে উপজেলার ইটাখোলা স্থানে ওই বাসটিকে আটক করে সুপারভাইজার মানিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, মানিককে গ্রেপ্তার দেখান হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া চলছে।

মানিক মোল্লার সঙ্গে কথা হলে তিনি নিজেকে নির্দোশ দাবি করে। তিনি বলেন, আমি বিশ্রাম করার জন্য পেছনে মেয়েটির পার সিটে বসে ছিলেন। মেয়েটি ঘুমিয়ে ছিল। বাসটি স্পিডব্রেকারে উঠে পড়লে ঝাকুনিতে সে ঘুম থেকে উঠে কান্না শুরু করে। এ সময় তার বাবা-মা ও অন্যান্য যাত্রীরা এসে তাকে মারধর শুরু করেন।

পুলিশ জানায়, বানিয়াচং উপজেলার কর্চা গ্রামের একটি পরিবার এনা পরিবহনের (ঢাকামেট্টো-ব-১৪-৭৮৫১)  বাস দিয়ে ঢাকা যাচ্ছিল। বাসটি শায়েস্তাগঞ্জ অলিপুর পার হওয়ার পর সুপারভাইজার মানিক তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে পেছন দিকের আসনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ওই শিশু চিৎকার শুরু করে। চিকিৎকার শুনে মেয়েটির বাবা-মা দ্রুত পিছনের সিটে যায়ে এবং তাকে উদ্ধার করে এর পর অন্যান্য যাত্রীরা মানিককে মারধর শুরু করে।

বাংলা ক্যালেন্ডার