Breaking News :

রাসেল ভাইপার থেকে সাবধান

সাপটির নাম রাসেল ভাইপার যেটা বাংলায় বলা হয় চন্দ্রবোড়া। সাপটি দেশের বিষধর সাপগুলোর মধ্যে সবার উপরে থাকবে বলা যেতেই পারে। এটি কামরানোর ৩০-১০০ মিনিটের মধ্যে এভিএস দিতে না পারলে নিশ্চিত মৃত্যু। আবার সুস্থ হওয়ার পরেও শরীরে পচন ধরে মৃত্যুর ও সম্ভাবনা থেকে যায়। বুঝতেই পারছেন কতটা বিষধর।

আরো খারাপ খবর হল এর এন্টিভেনম সম্ভবত ঢাকা মেডিকেল ছাড়া কোথাও পাওয়া যায়না। যেহেতু এটি বাংলাদেশের অন্যত্র পাওয়া যায় না, তার মানে ফলাফল হল, নিশ্চিত মৃত্যু।

আফসোসের ব্যাপার হল দেশের সকল সরকারী হাসপাতালে এন্টিভেনম থাকার কথা থাকলেও বেশিরভাগ হাসপাতালে এন্টিভেনম সাপ্লাই থাকে না।

একটি বিষয় জেনে রাখা ভালো, সাধারনত সাপের বিষ কোন ওঝা নামাতে পারেনা, ওঝার কাছে গিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। নিকটস্থ হাসপাতালে দ্রুত চলে যান। আমাদের দেশে প্রায় ৪ থেকে ৫ টি সাপ বিষাক্ত যেগুলো মানুষ মারতে পারে কিন্তু বাকিগুলোর বিষে মানুষের কিছুই হয়না। ওঝারা সেসব সাপের বিষ নামানোর ভুয়া অভিনয় করে মাত্র। সচেতনতাই পারে জীবন রক্ষা করতে।

এই সাপটি রাজবাড়ী থেকে পাওয়া গেছে। রাজবাড়ী আজাদী ময়দান থেকে ছবি তোলা। এখনই সাবধানতা অবলস্বন না করলে। ভয়াভব রুপ ধারন করতে পারে এই একটি মাত্র সাপ দ্বারা।

মন্তব্যঃ সাপটিকে দেখে অজগর মনে করে ভুল ভাবতেই পারেন। আবার সাধারন সাপও ভাবতে পারেন অনেকে। আর এইটুকু ভুলেই চলে যেতে পারে আপনার জীবন। এই সাপটি আগে রাজশাহীতে দেখা যেত। দ্রুত বংশবিস্তার করা এই সাপটি এখন চাঁদপুরে ব্যাপক হারে দেখা যাচ্ছে, সাথে ভোলা,  শরীয়তপুর, মাদারীপুরেও এই সাপের দেখা পাওয়া গেছে। এইসব অঞ্চল যেহেতু বরিশালের সাথেই বরিশাল ও এই বিপদের মধ্যে আছে। আর এটাও অমুলক নয় যে ভারতে প্রচুর পরিমাণে এই সাপ রয়েছে হঠাৎ বন্যার কারনে বন্যার পানিতে স্রোতের সাথে ভেসে ভারত নেপাল থেকেও এই সাপ গুলো আসতে পারে!

তবে, ভিন্ন মতও আছে। অনেকের ধারনা এই সাপটি পানিতে বাঁচতে পারে না। তাই বন্যায় ভেঁসে আসাটাও রহস্যে ঘেরা থেকেই যাচ্ছে। আর যেহেতু সাপটিকে মরুভুমিতে বেশি দেখা যায় এবং খুব গরমে সাপটি বসবাস করতে পারে। সেহেতু, আমার পরিবেশে এই সাপটি মানিয়ে নিচ্ছে খুব সহজেই।

বাংলা ক্যালেন্ডার